সকল মেনু

লভ্যাংশে সংশোধন ওরিয়নের, ১ সপ্তাহে দর কমেছে ৩৭৫ টাকা

স্টাফ রিপোর্টার: পর্ষদ ঘোষিত ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেডর ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দেয়ার অনুমোদন দেয়নি নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে কোম্পানির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ওরিয়ন ইনফিউশনের পরিচালনা পর্ষদ ৩০ জুন- ২০২১ থেকে ৩০ জুন ২০২২ সমাপ্ত বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য নগদ ১০ ও স্টক ১০ মিলে ২০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল।

নীতিমালা অনুযায়ী বিএসইসির অনুমোদন ছাড়া কোনো কোম্পানি বোনাস শেয়ার ইস্যু করতে পারবে না। তাই বোনাস শেয়ার ঘোষণার পর এ কোম্পানি তা বিতরণে নিয়ন্ত্রক সংস্থার সম্মতির জন্য আবেদন করে। তবে, এ আবেদনে সাড়া না দিয়ে স্টকের পরিবর্তে নগদ লভ্যাংশ দেয়ার পরামর্শ দেয় বিএসইসি।

বিএসইসির পরামর্শ অনুযায়ী, পূর্বঘোষিত স্টক লভ্যাংশে গত ২২ ডিসেম্বর পরিবর্তন এনেছে কোম্পানির পর্ষদ। অর্থাৎ, ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশকে নগদে পরিণত করেছে কোম্পানিটি। এতে আগের ১০ শতাংশসহ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশের পরিমাণ ২০ শতাংশে দাঁড়ালো।

যদিও এর আগে, স্টক লভ্যাংশ পাওয়ার যোগ্যতা নির্ধারণে কোম্পানিটির রেকর্ড ডেট ছিল গত ৪ ডিসেম্বর।

কোম্পানির পর্ষদ ঘোষিত ২০ শতাংশ লভ্যাংশের পাশাপাশি অন্যান্য এজেন্ডায় শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন নিতে আগামীকাল বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ নির্ধারণ করা রয়েছে।

অপরদিকে, গত ১৯ ডিসেম্বর সামান্য উত্থান ছাড়া ১৪ থেকে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত টানা পতনে রয়েছে কোম্পানিটির শেয়ারদর। ওরিয়ন ইনফিউশনের গত ১ মাসের শেয়ারদরের গ্রাফ বিশ্লেষণে এমন চিত্র দেখা গেছে।

যদিও এর আগে শেয়ারটির পরপর অস্বাভাবিক দর বাড়ার কারণে টপটেন গেইনার তালিকার শীর্ষে উঠে আসে কোম্পানিটি। পরবর্তিতে এ কোম্পানির শেয়ারদরের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির কারণ জানাতে নোটিশ দিয়েছিল ডিএসই।

ওরিয়ন ইনফিউশনের শেয়ারদরের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, গত ১৩ ডিসেম্বর শেয়ারটির সর্বশেষ দর বা ক্লোজিং প্রাইস ছিল ৮৪১ টাকা ৫০ পয়সা। ১৪ থেকে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৯ কর্মদিবসের  মাঝে ১ দিন ছাড়া বাকি ৮ কর্মদিবসে  এর দর ৩৭৫ টাক ৫০ পয়সা কমে ৪৪৬ টাকায় দাঁড়িয়েছে।

ডিএসইতে মঙ্গলবার  কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি দর ছিল ৪৪৬ টাকা। আগের দিন অর্থাৎ, ২৬ ডিসেম্বর শেয়ারটির ক্লোজিং প্রাইস ছিল ৪৮৮ টাকা ৭০ পয়সা। আর, গত ১ বছরে শেয়ারটির দর সর্বনিম্ন ৭৬ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১০০০ টাকায় ওঠা-নামা করেছে।

শেয়ারমার্কেটে ১৯৯৪ সালে তালিকাভুক্ত ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেডের অনুমোদিত মূলধনের পরিমাণ ১০০ কোটি টাকা। আর পরিশোধিত মূলধন ২০ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৬ কোটি ২ লাখ টাকা।

কোম্পানির মোট শেয়ারসংখ্যা ২ কোটি ৩ লাখ ৫৯ হাজার ৭৬০টি। এরমধ্যে উদ্যোক্তা/পরিচালকদের হাতে রযেছে ৪০ দশমিক ৬১ শতাংশ। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর রয়েছে ৫ দশমিক ১০ শতাংশ শেয়ার। বিদেশি বিনিয়োগকারীর শূন্য দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। বাকি ৫৪ দশমিক ২৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীর হাতে।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।

top