সকল মেনু

দ্বিতীয় প্রান্তিকে অলিম্পিকের শেয়ারপ্রতি আয় বেড়েছে ৯০ শতাংশ

স্টাফ রিপোর্টার: খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের কোম্পানি অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর/২০২২) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে । প্রতিবেদনে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় বা  ইপিএস ৯০ শতাংশ বেড়ে যাওয়ার তথ্য উঠে এসেছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ।

প্রতিবেদনে অনুযায়ী, চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৯৩ পয়সা। যা আগের বছর একই সময় ১ টাকা ৫৪ পয়সা ছিল। অর্থাৎ, আলোচ্য সময়ে অলিম্পিকের শেয়ারপ্রতি আয় ১ টাকা ৩৯ পয়সা বা ৯০ শতাংশ বেড়েছে।

আবার, কোম্পানিটির প্রথমার্ধে (জুলাই থেকে ডিসেম্বর/২০২২) ইপিএস হয়েছে ৫ টাকা ২৬ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে যা ৩ টাকা ৬১ পয়সা ছিল। অর্থাৎ, আগের তুলনায় কোম্পানিটির প্রথমার্ধে শেয়ারপ্রতি আয় বেড়েছে ১ টাকা ৬৫ পয়সা।

আলোচিত কোম্পানির ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য বা এনএভিপিএস ৪৭ টাকা ৬০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। আগের বছর একইসময় যা ৪৪ টাকা ৪২ পয়সা ছিল।

ডিএসইতে গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) কোম্পানিটির শেয়ারদর ১ দশমিক ৩৫ শতাংশ বা ২ টাকা ১০ পয়সা কমে সর্বশেষ ১৫৩ টাকা ৫০ পয়সায় লেনদেন হয়। যার সমাপনী দর বা ক্লোজিং প্রাইস একই ছিল। ওই দিন সর্বনিম্ন ১৫২ টাকা ৫০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ১৫৬ টাকা ৮০ পয়সায় লেনদেন হয় কোম্পানিটির শেয়ার। আবার, গত এক বছরে শেয়ারটির দর ১১০ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ১৬১ টাকায় ওঠানামা করে।

বৃহস্পতিবার ২ হাজার ৪৭২ বার হাতবদলের মাধ্যমে ১৭ কোটি ৫৯ লাখ টাকায় অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজের ১১ লাখ ৪১ হাজার ৬৬২টি শেয়ার লেনদেন হয়।

কোম্পানিটি ২০২২ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৪৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়ার ঘোষণা দেয়। এ সময় কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৬ টাকা ৩ পয়সা। পাশাপাশি, একই বছরের ৩০ জুন শেষে শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য ৪৬ টাকা ৮৪ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।

‘এ’ ক্যাটেগরিতে লেনদেনকৃত এ প্রতিষ্ঠানের অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি টাকা। আর, পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ১৯৯ কোটি ৯৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা। কোম্পানির রিজার্ভে রয়েছে ৭৩৬ কোটি ৫৩ লাখ টাকা।

পুঁজিবাজারে ১৯৮৯ সালে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির মোট শেয়ারসংখ্যা ১৯ কোটি ৯৯ লাখ ৩৮ হাজার ৮৮৬টি। এরমধ্যে উদ্যোক্তা/পরিচালকদের হাতে রয়েছে ৪০ দশমিক ৬৬ শতাংশ। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর রয়েছে ২৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ শেয়ার। বিদেশি বিনিয়োগকারীর ২১ দশমিক ১১ শতাংশ। বাকি ১৪ দশমিক শূন্য ৬৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীর হাতে।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।

top