সকল মেনু

‘ফ্লোর প্রাইস উঠে যাওয়ার গুজবে শেয়ার মার্কেট ক্ষতিগ্রস্ত’

সিনিয়র রিপোর্টার: ফ্লোর প্রাইস উঠে যাওয়ার গুজবে শেয়ার মার্কেট ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম।

তিনি বলেন, কিছু ইতিবাচক খবরে বাজার যখন একটু স্বাভাবিক হয়, তখনই সন্ধ্যাবেলা সোস্যাল মিডিয়ায় গুজব ছড়ানো হয় যে ফ্লোর পাইস তুলে দেওয়া হচ্ছে। আর তা এমনভাবে ছড়ানো হয় যে কিছু সাধারণ বিনিয়োগকারী সেসব বিশ্বাসও করে।

এতে প্যানিক হয়ে শেয়ার বিক্রি করেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। তবে আমরা কেউই কিছু বলিনা। মানুষই এসব গুজব ছড়ায়, যোগ করেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ব্রোকারেজ হাউজ ট্রাস্ট রিজিওনাল ইকুইটি লিমিটেডের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বলেন, আমরা সব দিক দিয়ে ভালো করছি তবে সেকেন্ডারি মার্কেটে সমস্যা। তবে আমাদের আর কী করার আছে; আমরা তো লেনদেন করিনা।

তিনি দাবি করেন, আগামী মার্চ থেকে শেয়ারবাজারের অবস্থার উন্নতি হবে। মার্চ থেকে ব্যাংকগুলোর ডিভিডেন্ড ঘোষণা আসবে।

তিনি বলেন, আমাদের বন্ড মার্কেট এতদিন মার্কেট এক্সপোজারের মধ্যে ছিল। কিন্তু খুব শিগগিরই এক্সপোজার লিমিট তুলে নেওয়া হবে। তখন বন্ড মার্কেটে ব্যাংকগুলোর হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হবে।

চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশের ব্যবসা আর আগের মত নেই। একই মার্কেট নিয়ে সবাই কাড়াকাড়ি করে। বাংলাদেশে যোগ্যতা থাকলে আয় করা যায় বিদেশের থেকে বেশি। প্রতি বছর মাথাপিছু ইনকাম ও জিডিপি গ্রোথ হচ্ছে। ইউরোপের অর্ধেক দেশ থেকে আমাদের জিডিপির সাইজ বড়। মালয়েশিয়ার থেকে জিডিপির সাইজ অনেক বড়।

বিএসইসি চেয়ারম্যান আরো বলেন, বিনিয়োগকারীদের একটা ভয় হচ্ছে ফ্লোর প্রাইস উঠে যাবে। এই আতঙ্কে তারা গুজব ছড়াচ্ছে বাজারে। সাংবাদিক ভাইয়েরা সারাদিন ভালো কাজ করার পরও সন্ধ্যায় এমন একটা নিউজ দেয় যা সারাদিনের কাজকে শেষ করে দেয়।

ট্রাস্ট রিজিওনাল ইকুইটি লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) তানিয়া শারমিন বলেন, পুঁজিবাজারের উন্নয়নে কাজ করাই হবে আমাদের লক্ষ্য। সকল সিকিউরিজ যথাযথ আইন মেনে কাজ করবো আমরা। পাশাপাশি নিয়ন্ত্রণ সংস্থার সব নিদর্শন না মেনে বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ নিরাপদ রেখে কীভাবে তাদের সঞ্চয় বৃদ্ধি করা যায় শুরু থেকেই আমাদের সে লক্ষ্য থাকবে।

শান্তা অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের ভাইস চেয়ারম্যান ও বিএসইসির সাবেক কমিশনার আরিফ খান বলেন, কীভাবে পুঁজিবাজারে স্বতন্ত্র্য ধারার একটি স্টক ব্রোকারেজ করা যায় সেটা নিয়ে কাজ করা উচিত।

ইনোভেটিভ প্রোডাক্ট বাজারে আনতে কাজ করা দরকার বলে মনে করেন তিনি।

ট্রাস্ট রিজিওনাল ইকুইটির চেয়ারম্যান তরফদার মো. রুহুল আমিন বলেন, আমরা শেয়ারবাজারকে নানাভাবে সাপোর্ট দেওয়ার জন্য ব্রোকারেজ ব্যবসায় এসেছি।

তিনি আরো বলেন, আমরা অক্টোবর থেকে ফরেন ট্রেড শুরু করতে পারবো; তবে কিছু জটিলতা রয়েছে এগুলো আলোচনা করে সামাধান করতে চাই।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।

top