সকল মেনু

জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনায় দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস অন্তর্ভুক্তিকরণ কর্মশালা

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দেশে প্রকৃতিক দুর্যোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রাণি বৈচিত্র থেকে শুরু করে কৃষি ও কৃষকের জীবিকার ওপর সেই প্রভাব আরো তীব্রতর হচ্ছে। বিশেষত নদী তীরবর্তী চরাঞ্চলের মানুষ দুর্যোগের বিরুপ প্রভাবে ক্ষতির মুখে পড়ছে। সেই সব চরাঞ্চলের মানুষের দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পায় অনুর্ভুক্তির লক্ষ্যে রাজধানীর মহাখালীতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরে বৃহস্পতিবার কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

দাতা সংস্থা কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সি (কৈইকা) আর্থিক সহযোগিতায় পরিচালিত সিরাজগঞ্জের উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান মানব মুক্তি সংস্থা কর্তৃক বাস্তবায়িত দুর্যোগ ঝৃকিঁ হ্রাস প্রকল্পের আয়োজনে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মিজানুর রহমান। কর্মশালায় আরো উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের পরিচালক-প্রশাসন, পরিচালক-এমআইএমসহ বিভিন্ন দাতা সংস্থার প্রতিনিধি ও সরকারি- বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিরা।

কর্মশালায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মিজানুর রহমান বলেন, সিরাজগঞ্জে প্রাকৃতির দুর্যোগ অনেক বেশি। বর্ষায় শহরের বেড়িবাঁধ ও চরাঞ্চল নিয়ে দুশ্চিন্তা বাড়ে। বর্ষায় এখানে চরাঞ্চলগুলো কচুরিপানার মতো ভাসে। অনেকে তখন শহরমূখী হন। চরাঞ্চল নিয়ে আমাদের অনেক কাজ চলমান আছে। চরে কৃষিপণ্য রাখার কোন স্টোরেজ নেই, সেদিকেও আমাদের দৃষ্টি আছে। সম্পদ রক্ষায় নদী তীরবর্তী লোকদের নিয়ে আমাদের আরো ভাবতে হবে।

তিনি আরো বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ হবে কিন্তু আমাদের প্রস্তুতিও থাকতে হবে, যাতে আমরা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমিয়ে আনতে পারি। ইতোমধ্যে সেখানে সরাকারের পাশাপাশি অনেক এনজিও কাজ করছে, উন্নতিও হয়েছে। তাদের পরিকল্পনাগুলো একত্র ও হালনাগাদ করে ঝুকিঁহ্রাস কার্যক্রম বাস্থবায়ন করা হবে উল্লেখ করেন।

এছাড়া অন্য অতিথিরা সারা দেশের ঝুকিপূর্ণ এলাকার দুর্যোগ ঝুকিঁ হ্রাসে পরিকল্পনাগুলো ডিজিটালি আর্কাইভ সিস্টেমের আওতায় আনার উপরও গুরুত্বারোপ করেন।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।

top