সকল মেনু

লেনদেনের শুরুতেই ব্যপক দরপতন

পুঁজিবাজারে দরপতন চলছে। টানা পতনে কুপোকাত পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীরা ও প্রতিষ্ঠানগুলো। এই অবস্থা থেকে উত্তোরণের জন্য নানামুখী পদক্ষেপ নিচ্ছে বিএসইসি। এরই অংশ হিসেবে শেয়ারের দর কমার উপন নতুন সার্কিট ব্রেকার আরোপ করে সংস্থাটি। কিন্তু নতুন এ নিয়ম ইতিবাঁচক হওয়ার পরিবর্তে নেতিবাঁচক প্রভাত পড়ছে পুঁজিবাজার। সূকের ব্যপক পতনের চলছে লেমদেন। সকাল ১১ টা পর্যন্ত সূচক কমেছে ৯৬ পয়েন্ট।

প্রথম এক ঘন্টায় লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৩৪৫টি কোম্পানির শেয়ার দাম কমেছে, বেড়েছে ১৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২১টির। এরমধ্যে শতাধিক কোম্পানি শেয়ার ক্রেতাহীন অবস্থায় থাকতে দেখা যায়। ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৯৭ কোটি ৬৬ লাখ টাকারও বেশি।

এই পতনের জন্য পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সার্কিট ব্রেকারকে দায়ী করছেন বিনিয়োগকারীরা। তারা বলছেন, সার্কিট দিয়ে বাজারের পতন ঠাকানো সম্ভব নয়। বরং এই নির্দেশনা পতনকে আরও দীর্ঘায়িত করবে। এতে করে পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারী ও প্রতিষ্ঠানগুলো আরও ক্ষতিগ্রস্থ হবে।

পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এর আগেও পুঁজিবাজারে পতন ঠেকাতে সার্কিট ব্রেকার আরোপ করেছিলো কমিশন। ওই সময়ে এটি কোন কার্যকরি ভূমিকা রাখতে পরেনি। সেই জিনিস আবারও নতুন করে দিয়েছে সংস্থাটি।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।

top