সকল মেনু

প্রভাতী ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার লেনদেন তদন্তের নির্দেশ বিএসইসির

প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স পিএলসি’র শেয়ার লেনদেনে সন্দেহজনক কার্যক্রমের অভিযোগে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। মঙ্গলবার, ৭ জুলাই বিএসইসির মার্কেট অ্যান্ড ইন্টারমিডিয়ারিজ অ্যাফেয়ার্স বিভাগ থেকে জারি করা এক তদন্ত আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

আদেশে বলা হয়েছে, কমিশনের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ডিএসই ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) তালিকাভুক্ত এ-ক্যাটাগরির কোম্পানি প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স পিএলসির শেয়ারের দাম ও লেনদেনে অস্বাভাবিক আচরণ পরিলক্ষিত হয়েছে। এ কারণে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তদন্তের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।

বিএসইসি সূত্র জানায়, কমিশন ডিএসইকে পাঁচটি বিষয়ে তদন্ত পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারীদের মাধ্যমে কোনো সমন্বিত, কারসাজিমূলক, অস্বাভাবিক বা কৃত্রিম লেনদেন হয়েছে কি না তা শনাক্ত করা, অপ্রকাশিত মূল্য-সংবেদনশীল তথ্য ব্যবহার করে কোনো ইনসাইডার ট্রেডিং হয়েছে কি না তা যাচাই করা, সংশ্লিষ্ট স্টক ব্রোকার, স্টক ডিলার ও তাদের অনুমোদিত প্রতিনিধিরা মার্জিন রুলস এবং কমিশনের নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করেছেন কি না তা পরীক্ষা করা, সন্দেহজনক লেনদেন সংঘটিত হওয়া বা তা প্রতিরোধে ব্যর্থ হওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্রোকার, ডিলার বা তাদের প্রতিনিধিদের কোনো ভূমিকা বা দায় রয়েছে কি না তা নির্ধারণ করা এবং সিকিউরিটিজ-সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘন বা অন্য কোনো অনিয়ম সংঘটিত হয়েছে কি না তা চিহ্নিত করা।

ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ জুন প্রভাতী ইন্স্যুরেন্সের প্রতিটি শেয়ারের দাম ছিল ৫১ টাকা ১০ পয়সা। যা ৭ জুলাই বেড়ে দাঁড়ায় ৬৭ টাকা ৬০ পয়সায়। অর্থাৎ এক মাসেরও কম সময়ে প্রতিটি শেয়ারের দাম বেড়েছে ১৬ টাকা ৫০ পয়সা বা প্রায় ৩২ দশমিক ৩ শতাংশ।

বিএসইসি চিঠি জারির তারিখ থেকে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন কমিশনে জমা দিতে ডিএসইকে নির্দেশ দিয়েছে।

একই সঙ্গে কমিশন সংশ্লিষ্ট স্টক ব্রোকার, স্টক ডিলার, তাদের অনুমোদিত প্রতিনিধি, কমপ্লায়েন্স কর্মকর্তা এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের (সিইও) এ ধরনের সন্দেহজনক লেনদেন সম্পর্কে আরও সতর্ক ও সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

বিএসইসি জানিয়েছে, এ ধরনের কার্যক্রম স্টক-ব্রোকার ও স্টক-ডিলার এবং অনুমোদিত প্রতিনিধি বিধিমালা, ২০০০-এর তফসিল-৬-এর (এ) ও (বি) এবং সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (স্টক-ডিলার, স্টক-ব্রোকার ও অনুমোদিত প্রতিনিধি) বিধিমালা, ২০০০-এর বিধি ১১-এর লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হতে পারে।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।

top