Print

সর্বশেষ সংবাদ | Daily Stock BD

সঙ্কুচিত বাজেটের ঘাটতি ২ লাখ ৫৬ হাজার কোটি

প্রকাশিত হয়েছে: জুন ৬, ২০২৪ , ৭:১৫ অপরাহ্ণ | আপডেট: জুন ৬, ২০২৪, ৭:১৫ অপরাহ্ণ

স্টাফ রিপোর্টার

২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ছিল সাত লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা। পরে তা সংশোধন করে সাত লাখ ১৪ হাজার ৪১৮ কোটি টাকা করা হয়েছে। তবে আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সামগ্রিক বাজেটে ঘাটতি ধরা হয়েছে দুই লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা।

যা ২০২৩-২৪ অর্থবছরের থেকে বাজেটের আকার বাড়ছে মাত্র চার দশমিক ছয় শতাংশ। তবে গত অর্থবছরের চেয়ে এবারের বাজেটের আকার বাড়ছে মাত্র চার দশমিক ছয় শতাংশ।

তবে বাজেট ঘাটতি মেটাতে বৈদেশিক উৎস থেকে ৯০ হাজার ৭০০ কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে এক লাখ ৬০ হাজার ৯০০ কোটি টাকা সংগ্রহের প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী। তার মধ্যে ব্যাংক ঋণ নেওয়া হবে এক লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র থেকে নেওয়া হবে ১৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।

বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা থাকছে পাঁচ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকা। বাকি দুই লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য থাকবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী জাতীয় সংসদে সাত লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করেছেন। এর মধ্যে পাঁচ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকা আসবে রাজস্ব আয় থেকে। এদিকে, এই বাজেটকে বাস্তবসম্মত, সাহসী, গণমুখী বাজেট বলে অভিহিত করেছেন আওয়ায়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

এদিকে উত্থাপিত বাজেটে আইসিটি খাতে ক্যাশলেস শর্তে ১৯ ব্যবসায় ৩ বছরের করছাড় দেয়া হয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চেয়ে এবারের বাজেটের আকার বাড়ছে চার দশমিক ছয় শতাংশ। এটি দেশের ৫৩তম, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের ২৫তম ও অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর প্রথম বাজেট।

বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা থাকছে পাঁচ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকা। বাকি দুই লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা থাকবে। দুই লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) ইতোমধ্যে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। চলতি অর্থবছরে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা সাত শতাংশের বেশি নির্ধারণ করা হয়েছিল এবং আগামী অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা ছয় দশমিক ৭৫ শতাংশ হতে পারে।

প্রস্তাবিত বাজেটে সরকার পাঁচ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে, যা গত অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ৪১ হাজার কোটি টাকা বেশি।
২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ছিল সাত লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা। পরে এটি সংশোধন করে সাত লাখ ১৪ হাজার ৪১৮ কোটি টাকা করা হয়।
ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার প্রস্তাব

প্রস্তাবিত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক থেকে এক লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা নেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের। বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী জাতীয় সংসদে সাত লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করেছেন।

ঘাটতি মেটাতে সরকার অভ্যন্তরীণ খাত থেকে মোট ঋণ নেবে এক লাখ ৬০ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। ব্যাংকিং খাত ছাড়াও নন-ব্যাংকিং খাত থেকে ২৩ হাজার ৪০০ কোটি টাকা নেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের। এর মধ্যে সঞ্চয়পত্র থেকে নেওয়া হবে ১৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। গত অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটেও সরকার সঞ্চয়পত্র থেকে ১৮ হাজার কোটি টাকা নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল।

পরে সংশোধিত বাজেটে দেখা গেছে, উল্টো এই খাতে সাত হাজার ৩১০ কোটি টাকা দিচ্ছে সরকার। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চেয়ে এবারের বাজেটের আকার বাড়ছে চার দশমিক ছয় শতাংশ। এটি দেশের ৫৩তম, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের ২৫তম ও অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর প্রথম বাজেট।

বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা থাকছে পাঁচ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকা। বাকি দুই লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা থাকবে।

দুই লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) ইতোমধ্যে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। চলতি অর্থবছরে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা সাত শতাংশের বেশি নির্ধারণ করা হয়েছিল এবং আগামী অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা ছয় দশমিক ৭৫ শতাংশ হতে পারে।

আইসিটি খাতে ক্যাশলেসের শর্তে বেশ কিছু ব্যবসায় কর ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব করেছে সরকার। বাজেট প্রস্তাবনা অনুযায়ী, বাংলাদেশি নাগরিকদের দেশে বা বিদেশে বসে এসব ব্যবসা পরিচালনা করলে আয়কর অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আগামী তিন বছরের জন্য এ কর ছাড় কার্যকর থাকবে।

ব্যাবসাগুলো হলো- এআই বেজড সল্যুশন, ব্লকচেইন বেজড সল্যুশন, রোবোটিক্স প্রসেস আউটসোর্সিং, সফটওয়্যার সেবা, সাইবার নিরাপত্তা সেবা, ডিজিটাল ডেটা বিশ্লেষণ ও ডেটা সায়েন্স, মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট ও কাস্টমাইজেশন, সফটওয়্যার টেস্ট ল্যাব, ওয়েব লিস্টিং এবং ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট, আইটি সহায়তা এবং সফটওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণ, জিআইএস, ডিজিটাল অ্যানিমেশন, ডিজিটাল গ্রাফিক্স ডিজাইন, ডিজিটাল ডেটা এন্ট্রি এবং প্রক্রিয়াকরণ, ই-লার্নিং প্ল্যাটফর্ম এবং ই-পাবলিকেশন, আইটি ফ্রিল্যান্সিং, কল সেন্টার, ডকুমেন্ট রূপান্তর, ইমেজিং ও ডিজিটাল আর্কাইভিং।

ফলের জুস ও তরল দুধের প্যাকেটের শুল্ক বাড়ানোয় আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এই দুই পণ্যের দাম বাড়ার সম্ভাবনা আছে। অর্থমন্ত্রী বলেন, তরল দুধ ও ফলের জুস প্যাকিংয়ের জন্য অ্যাসেপটিক প্যাক ব্যবহৃত হয় যা রোল বা শিট হিসেবে আমদানিতে ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক প্রযোজ্য আছে। একই প্যাকিং সামগ্রী ফোল্ডিং কার্টন, বক্স বা কেস আকারে আমদানি হলে এর ওপর মোট কর ও শুল্ক হবে ৩৮ শতাংশ।

দুই শুল্কহারের সমতা আনতে উভয় ক্ষেত্রে মোট করভার ৩৭ শতাংশ করার প্রস্তাব রেখেছেন অর্থমন্ত্রী। এতে দুধ ও জুস প্যাকেটজাত করার খরচ বাড়তে পারে।
এটি স্বাধীন বাংলাদেশের ৫৩তম বাজেট এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের টানা চতুর্থ মেয়াদের ও অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর প্রথম বাজেট। ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত এই বাজেট বক্তব্যের শিরোনাম ‘সুখী, সমৃদ্ধ, উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে অঙ্গীকার’। আগামী ৩০ জুন বাজেট পাস হওয়ার কথা রয়েছে।

© দৈনিক স্টক বাংলাদেশ- ২০২৩
বার্তা ও সম্পাদকীয় কার্যালয়: ৯৯, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
ফোন: +৮৮০ ১৭৯৭-৬১১৯৬১, +৮৮০ ৯৬৩৮ ৯৩৫৭৩৬
ইমেইল: info@dailystockbd.com (যোগাযোগের সর্বোত্তম মাধ্যম মুঠোফোন)