Print

সর্বশেষ সংবাদ | Daily Stock BD

এডিবি ও বাংলাদেশ সরকারের ১৫ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি

প্রকাশিত হয়েছে: আগস্ট ৩, ২০২৫ , ৫:০৮ অপরাহ্ণ | আপডেট: আগস্ট ৩, ২০২৫, ৫:০৮ অপরাহ্ণ

স্টাফ রিপোর্টার

দেশে শোভন কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি, বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা জোরদার এবং কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ (টিভিইটি) উন্নয়নে ১৫ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি সই করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এবং বাংলাদেশ সরকার।

রোববার (৩ আগস্ট) ঢাকায় অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সরকারের পক্ষে ইআরডির সচিব শহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী এবং এডিবির পক্ষে কান্ট্রি ডিরেক্টর হো ইউন জিওং চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

চুক্তির আওতায়, টেকনিক্যাল অ্যান্ড ভোকেশনাল এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিং (টিভিইটি) টিচার্স ফর দ্য ফিউচার প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন করা হবে। এই কর্মসূচি ঢাকার বাইরে, বিশেষত অনুন্নত এলাকায় আধুনিক শিক্ষক প্রশিক্ষণের সুযোগ বাড়াবে। পাশাপাশি উদীয়মান প্রযুক্তিতে শিক্ষকদের শিক্ষাদান দক্ষতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা উন্নয়ন, শিক্ষক ব্যবস্থাপনা ও প্রতিবেদন প্রণালীর সক্ষমতা জোরদারে সহায়তা করবে।

এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর বলেন, এই কর্মসূচি দেশের অর্থনৈতিক বৈচিত্র্যকরণের অগ্রাধিকার অনুযায়ী ৫ টি প্রধান প্রযুক্তি ক্লাস্টারের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে— মেকানিক্যাল, ইলেকট্রনিক্স ও ইলেকট্রিক্যাল, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT), সিভিল এবং খাদ্য ও কৃষি। এটি সরকারের সমন্বিত টিভিইটি উন্নয়ন কর্মপরিকল্পনা (আইটিডিএপি)-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাস্তবায়ন করা হবে।

কর্মসূচি শেষে অন্তত ১০ হাজার নতুন ও বিদ্যমান টিভিইটি শিক্ষকের দক্ষতা বাড়বে, যা ২ লাখ ৫০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থীর ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এছাড়া, সারাদেশে ধারাবাহিক পেশাগত উন্নয়নের একটি জাতীয় ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে, যাতে টিভিইটির মান ও প্রাসঙ্গিকতা দীর্ঘমেয়াদে বজায় থাকে।

এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অন্তর্ভুক্তিমূলক, সহনশীল ও টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে কাজ করে এডিবি। ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এ উন্নয়ন ব্যাংকটি বর্তমানে ৬৯টি দেশের মালিকানাধীন, যার মধ্যে ৫০টি দেশ এই অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

© দৈনিক স্টক বাংলাদেশ- ২০২৩
বার্তা ও সম্পাদকীয় কার্যালয়: ৯৯, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
ফোন: +৮৮০ ১৭৯৭-৬১১৯৬১, +৮৮০ ৯৬৩৮ ৯৩৫৭৩৬
ইমেইল: info@dailystockbd.com (যোগাযোগের সর্বোত্তম মাধ্যম মুঠোফোন)