স্টাফ রিপোর্টার: সাত বছর পরে লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে বীচ হ্যাচারি লিমিটেড। শেয়ারপ্রতি ১৫ পয়সা বা ১.৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেবে বীচ হ্যাচারি। ২০১৪ সালে ৫ শতাংশ বোনাস দিয়ে ২০১৫ সাল থেকে আর কোন লভ্যাংশ দেয়নি।
অন্যদিকে, ২০০২ সালে তালিকাভুক্তির পরে এবার প্রথম নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে বীচ হ্যাচারি। ২০২১ সালের জুন মাসে নতুন করে মৎস্য উৎপাদন শুরুর পরে লোকসান থেকে মুনাফায় ফিরতে শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
গত ৩০ জুন, ২০২২ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করে। কোম্পানির কর্তৃপক্ষ। আলোচিত বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারকে ১.৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেবে।
বুধবার (১৬ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে সর্বশেষ হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর লভ্যাংশ সংক্রান্ত এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে, সর্বশেষ বছরে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২২ পয়সা। আগের বছর লোকসান হয়েছিল ২২ পয়সা। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি বার্ষিক সাধারণ সভা এবং রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২২ ডিসেম্বর।

তবে ২০১৫ সাল থেকে অর্থাৎ ৭ বছর পরে এবং প্রথম নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে। এর আগে ২০১৪ সালে ৫ শতাংশ বোনাস এবং ২০১৩ সালে ১৫ শতাংশ বোনাস দিয়ে কোম্পানির মূলধন বৃদ্ধি করেছিল।
বীচ হ্যাচারি লিমিটেড ২০২১ সালের ২৮ জুন (সোমবার) থেকে দেশীয় মাছ উৎপাদন শুরু করে। হোয়াইট ফিস (তেলাপিয়া, কই, পাঙ্গাস এবং পাবদা) চাষ শুরু করেছে। প্রাথমিকভাবে বছরে ১০৫ টন উৎপাদন হবে।
যদিও এর আগে কক্সবাজারে সামুদ্রিক মাছ আহরণ ও বিপনণ করে মুনাফা করে প্রষ্ঠিানটি। পরে রাষ্ট্রীয় একটি সংস্থা সৈকতের হ্যাচারি ইউনিট ভেঙ্গে দিলে স্থবির হয়ে পড়ে কোম্পানির উৎপাদন। এরপরে হ্যাচারি ইউনিটের ১৫ নং কংক্রিট ট্যাংক সংস্কার করে দেশিয় মাছ উৎপাদন শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি।
ট্যাংকের পানি ধারণ ক্ষমতা ৫৫ হাজার লিটার এবং উৎপাদন ক্ষমতা ১০৫ টন।

বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) শেয়ারপ্রতি দর হয়েছে ৪১.৭০ টাকা।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।