সিনিয়র রিপোর্টার: শেয়ারবাজারে বর্তমানে ফ্লোর প্রাইস আরোপ রয়েছে ১২ কোম্পানির ওপর। কোম্পানিগুলো হলো আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো কোম্পানি বা বিএটিবিসি, বেক্সিমকো লিমিটেড, বিএসআরএম লিমিটেড, গ্রামীণফোন, ইসলামী ব্যাংক, খুলনা পাওয়ার, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, ওরিয়ন ফার্মা, রেনাটা, রবি ও শাহজিবাজার পাওয়ার। এর মধ্যে গতকাল দাম বেড়ে ফ্লোর প্রাইসের ওপরে উঠে গেছে মেঘনা পেট্রোলিয়ামের শেয়ার।
ফলে বুধবার কোম্পানিটির প্রায় ৩৬ হাজার শেয়ারের হাতবদল হয়। বাকিগুলো ফ্লোর প্রাইসে আটকে থাকায় খুব বেশি শেয়ারের হাতবদল হয়নি।
তালিকাভুক্ত কোম্পানির অবণ্টিত লভ্যাংশ পুঁজিবাজার স্থিতিশীলকরণ তহবিলে (সিএমএসএফ) জমা দিতে বিলম্ব করলে জরিমানার বিধান করা হয়েছে। গত সোমবার পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এ-সংক্রান্ত আদেশ জারি করে।
আদেশে বলা হয়েছে, তালিকাভুক্ত কোনো সিকিউরিটিজ যদি অবণ্টিত নগদ লভ্যাংশ ও বিনিয়োগকারীদের চাঁদার অর্থ তহবিলে জমা দিতে বিলম্ব করে, তবে প্রতি মাসের জন্য ২ শতাংশ হারে জরিমানা দিতে হবে। একইভাবে অবণ্টিত বোনাস লভ্যাংশ ও অধিকারমূলক (রাইট) শেয়ার তহবিলে স্থানান্তরে প্রতি মাসে বিলম্বের জন্যও গুনতে হবে ২ শতাংশ হারে জরিমানা। বোনাস ও রাইট শেয়ারের ক্ষেত্রে এ জরিমানা নির্ধারিত হবে শেয়ারের বাজারমূল্যের ওপর ভিত্তি করে।
নিয়ম অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে বিনিয়োগকারীদের প্রাপ্য লভ্যাংশ পরপর তিন বছর অবণ্টিত অবস্থায় পড়ে থাকলে তা পুঁজিবাজার স্থিতিশীলকরণ তহবিলে জমা দিতে হয়। ২০২১ সালের জুনে এ-সংক্রান্ত আইন করে বিএসইসি।
শেয়ারবাজারে মঙ্গলবার নতুন করে আরও ২৩টি কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস বা সর্বনিম্ন মূল্যস্তর উঠে গেছে। এর মধ্যে ২২টিরই দাম কমেছে। তা সত্ত্বেও গতকাল দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২২ পয়েন্ট বেড়েছে। সেই সঙ্গে লেনদেন হয়েছে গত সাড়ে সাত মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।