সকল মেনু

‘শিক্ষাজীবনই ভবিষ্যৎ পেশাজীবনের ভিত্তি গড়ে তোলার উপযুক্ত সময়’

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম সাইফুর রহমান মজুমদার বলেছেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা এবং মেধার যথাযথ ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় শিক্ষার্থীদের বহুমাত্রিক দক্ষতা অর্জনের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। শিক্ষাজীবনই ভবিষ্যৎ পেশাজীবনের ভিত্তি গড়ে তোলার উপযুক্ত সময় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে সিএসইর কার্যালয়ে এ শিক্ষা সফর অনুষ্ঠিত হয়। বিনিয়োগ শিক্ষা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্দেশনা অনুযায়ী সিএসই নিয়মিত এ ধরনের শিক্ষা কার্যক্রম আয়োজন করে আসছে। শিক্ষা সফর অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

পুঁজিবাজারের কার্যক্রম, লেনদেন ব্যবস্থা ও প্রযুক্তিগত কাঠামো সম্পর্কে বাস্তব ধারণা নিতে চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) শিক্ষা সফর করেছে হালিশহর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের প্রায় ৬৫ শিক্ষার্থী।

অনুষ্ঠানে সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম সাইফুর রহমান মজুমদার এফসিএ, এফসিএমএ, চিফ রেগুলেটরি অফিসার মোহাম্মদ মেহেদি হাসান সিএফএ, আইসিটি বিভাগের কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ বিন হোসাইন ও মো. আরিফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ লে. কর্নেল মো. গোলাম মোরশেদ পিএসসি, গোলাম মোস্তফা, মো. আব্দুল জলিল ও শারমিন জাহান।

সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম সাইফুর রহমান মজুমদার বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা এবং মেধার যথাযথ ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় শিক্ষার্থীদের বহুমাত্রিক দক্ষতা অর্জনের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। শিক্ষাজীবনই ভবিষ্যৎ পেশাজীবনের ভিত্তি গড়ে তোলার উপযুক্ত সময়।

চিফ রেগুলেটরি অফিসার মোহাম্মদ মেহেদি হাসান সিএফএ বলেন, শিক্ষার্থীদের অনেকেই ভবিষ্যতে পুঁজিবাজারসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী বা কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করতে পারেন। তাই শিক্ষাজীবন থেকেই বিভিন্ন পেশা ও খাত সম্পর্কে বাস্তব ধারণা নেওয়া প্রয়োজন। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে সঠিক পেশা নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হবে।

হালিশহর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ লে. কর্নেল মো. গোলাম মোরশেদ পিএসসি বলেন, আজকের শিক্ষার্থীরাই ভবিষ্যতে দেশের পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারী ও নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তিতে পরিণত হবে। বিনিয়োগের পাশাপাশি উদ্যোক্তা, পরামর্শক, প্রশিক্ষক, পরিকল্পনাকারী কিংবা পর্যবেক্ষক হিসেবেও পুঁজিবাজারে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। তাই শিক্ষাজীবন থেকেই বাজার সম্পর্কে জ্ঞান ও ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা অর্জন করা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা দেশের পুঁজিবাজারে চালু থাকা বিভিন্ন পণ্য এবং ভবিষ্যতে চালু হতে যাওয়া নতুন পণ্য সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ধারণা দেন। পাশাপাশি আর্থিক পরিকল্পনা, ঝুঁকি ও সম্ভাব্য মুনাফা সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির বিষয়েও আলোচনা করা হয়।

পরে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন সিএসইর কর্মকর্তারা। ভবিষ্যতে পুঁজিবাজার বিষয়ে আয়োজিত প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন শিক্ষা সফরে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।

top