সকল মেনু

টানা লোকসানে ঢাকা ডাইং, উৎপাদন বন্ধ

বস্ত্র খাতের কোম্পানি দ্য ঢাকা ডাইং অ্যান্ড ম্যানুফেকচারিং কোং লিমিটেড। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানিটির উৎপাদন বন্ধ থাকায় টানা লোকসানে। ২০২৪ হিসাব বছরের তিন মাসে দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) শেয়ারপ্রতি লোকসান করেছে ১ টাকা ৬৫ পয়সা। সে হিসাবে নিট লোকসান ১৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ১ কোটি ৮৩ লাখ টাকা।

২০২৪ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি লোকসান করেছে ২ টাকা ৯ পয়সা। এ সময় নিট লোকসান হয় ১৮ কোটি ২২ লাখ টাকা। আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫ কোটি ৪৯ লাখ টাকা।

আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নগদ প্রবাহের পরিমাণ কমে দাঁড়িয়েছে ২০ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি নগদ প্রবাহ ছিল ৩৯ পয়সা। এ হিসাবে কোম্পানিটির নগদ অর্থপ্রবাহও কমেছে। ধারাবাহিক লোকসান বৃদ্ধির ফলে নগদ অর্থের জোগানও কমছে। তবু শেয়ারদর বেড়েছে লাফিয়ে লাফিয়ে।

তথ্যানুযায়ী, গত বছর ১১ নভেম্বর কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি দর ছিল ১২ টাকা ১০ পয়সা এবং ১০ ফেব্রুয়ারি দর হয়েছে ১৯ টাকা ১০ পয়সা।

ঢাকা ডাইং কোম্পানি ২০২৪ সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানির বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি। এর আগের হিসাব বছরেও লভ্যাংশ দেয়নি। ২০২২ হিসাব বছরে নামমাত্র শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল। নিয়মিত লভ্যাংশ না দেওয়ার কারণে কোম্পানিটিকে জেড ক্যাটাগরি বা জাঙ্ক শেয়ার ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করেছে ডিএসই।

তথ্যানুযায়ী, টানা লোকসান করছে ঢাকা ডাইং। ২০২৪ হিসাব বছরের তিন মাসে দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) শেয়ারপ্রতি লোকসান করেছে ১ টাকা ৬৫ পয়সা। সে হিসাবে নিট লোকসান ১৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ১ কোটি ৮৩ লাখ টাকা।

২০২৪ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি লোকসান করেছে ২ টাকা ৯ পয়সা। এ সময় নিট লোকসান হয় ১৮ কোটি ২২ লাখ টাকা। আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫ কোটি ৪৯ লাখ টাকা।

আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নগদ প্রবাহের পরিমাণ কমে দাঁড়িয়েছে ২০ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি নগদ প্রবাহ ছিল ৩৯ পয়সা। এ হিসাবে কোম্পানিটির নগদ অর্থপ্রবাহও কমেছে। ধারাবাহিক লোকসান বৃদ্ধির ফলে নগদ অর্থের জোগানও কমছে। তবু শেয়ারদর গত তিন মাসে বেড়েছে লাফিয়ে লাফিয়ে।

পুঁজিবাজার বিশ্লেষক অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, উৎপাদন বন্ধ থাকা, লোকসানে নিমজ্জিত থাকা কোম্পানির শেয়ার নিয়েই বেশি কারসাজি করা হয়। কারসাজি চক্র সংঘবদ্ধ হয়ে এগুলোকে বেছে নেন। কারণ এসব দুর্বল কোম্পানির শেয়ার নিয়ে কারসাজি করতে সুবিধা।

ঢাকা ডাইং কোম্পানি ২০২৪ সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানির বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি। এর আগের হিসাব বছরেও লভ্যাংশ দেয়নি। ২০২২ হিসাব বছরে নামমাত্র শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল। নিয়মিত লভ্যাংশ না দেওয়ার কারণে কোম্পানিটিকে জেড ক্যাটাগরি বা জাঙ্ক শেয়ার ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করেছে ডিএসই।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।

top