Homeডিএসই/সিএসইওরিয়ন ইনফিউশনের শেয়ারদর বৃদ্ধির কারণ জানতে তদন্তের নির্দেশ

ওরিয়ন ইনফিউশনের শেয়ারদর বৃদ্ধির কারণ জানতে তদন্তের নির্দেশ

স্টাফ রিপোর্টার: ওরিয়ন ইনফিউশনের শেয়ারদর বৃদ্ধির কারণ খতিয়ে দেখতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) নির্দেশ দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বুধবার (১২ অক্টোবর) বিএসইসি থেকে ডিএসইকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে।

আগামী ২০ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন বিএসইসিতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

এদিকে গত চার মাসে ওরিয়ন ইনফিউশনের শেয়ারদর এক হাজার শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানিটির বর্তমান মূল্য দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকায়। এর মধ্যে মাত্র তিন বার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে শেয়ারদর বৃদ্ধির কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের তথ্য বলছে, চলতি বছরের ১ জুলাই ওরিয়ন ইনফিউশনের শেয়ারদর ছিল ৮২ টাকা। তিন মাসের ব্যবধানে কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের মূল্য এখন ৯০০ টাকা ছাড়িয়েছে। বুধবার (১২ অক্টোবর) কোম্পানিটির শেয়ার সর্বশেষ ৯১৯ টাকা ৬০ পয়সায় লেনদেন হয়েছে।

১৯৯৪ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া কোম্পানিটি সর্বপ্রথম ২০১৫ সালে লভ্যাংশ দেয়। ওই বছর বিনিয়োগকারীদের নগদ ১৩ শতাংশ লভ্যাংশ দেয় ওরিয়ন ইনফিউশন। এরপর ২০২১ সাল পর্যন্ত লভ্যাংশের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি।

২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর নগদ ১৪ শতাংশ করে লভ্যাংশ দেয় ওরিয়ন ইনফিউশন। ২০২০ ও ২০২১ সালে ১০ শতাংশ করে লভ্যাংশ দেওয়া হয় বিনিয়োগকারীদের।

ডিএসই’র তথ্য অনুযায়ী, ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেডের পরিশোধিত মূলধন ২০ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। প্রতিষ্ঠানটির মোট শেয়ারের সংখ্যা দুই কোটি তিন লাখ ৫৯ হাজার ৭৬০টি। বর্তমান শেয়ারদর হিসেবে কোম্পানিটির মূল্য দাঁড়ায় এক হাজার ৮৭২ কোটি ২৮ লাখ ৩৫ হাজার ২৯৬ টাকা।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের তথ্য মতে, চলতি বছরের জুনে ওরিয়ন ইনফিউশনের শেয়ারের ৭ দশমিক ৮৮ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের দখলে ছিল। আগষ্টে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের শেয়ার ধারণ প্রায় তিন গুন বেড়ে ২১ দশমিক ৪১ শতাংশ হয়, কমে যায় সাধারণ বিনিয়োগকারীদের শেয়ারধারণ।

তবে জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত কেনা শেয়ার সেপ্টেম্বরে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে বেশি মূল্যে বিক্রি করা হয়। সেপ্টেম্বরে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের শেয়ার ধারণের পরিমাণ দাড়ায় ৭ দশমিক ৫০ শতাংশে।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সাত দিনের সর্বাধিক পঠিত