সকল মেনু

আইএফআইসি ব্যাংক থেকে বাদ পড়লেন শায়ান এফ রহমান

বেসরকারি খাতের আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসির পরিচালক পদ হারালেন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের ছেলে আহমেদ শায়ান ফজলুর রহমান (শায়ান এফ রহমান)। ব্যাংকটির পর্ষদ থেকে বাদ যাওয়ায় ভাইস চেয়ারম্যানের পদও হারিয়েছেন তিনি।

বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি পুনরায় তাকে পরিচালক করতে ব্যাংকের প্রস্তাব অনুমোদন না করলে ২০১৯ সাল থেকে ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসা শায়ান ব্যাংকের পর্ষদ থেকে বাদ পড়ে গেলেন। ঋণ খেলাপি হওয়ার কারণে তার পরিচালক হওয়ার প্রস্তাবে আপত্তি দেওয়ার কথা বলেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

আইএফআইসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে পাঠানো চিঠিতে বাংলাদেশ ব্যাংক শায়ানের পরিচালক পদের মেয়াদ নবায়ন না করে তাকে বাদ দেওয়ার নির্দেশনা দেয়।

আইএফআইসি ব্যাংকের কোম্পানি সচিব মোকাম্মেল হক বলেন, ‘আমরা মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে চিঠি পেয়েছি। পুনরায় পরিচালক হিসেবে শায়ান এফ রহমানকে পরিচালক হিসেবে নিয়োগের প্রস্তাবে আপত্তি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। শায়ান মালিকানায় থাকা একটি গার্মেন্টস কোম্পানি ঋণ খেলাপি হয়ে গেছে। খেলাপি হওয়ায় তাকে পরিচালক পদে নিয়োগ দেওয়া যাচ্ছে না।

ব্যাংকের ওয়েবসাইট থেকেও ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে থাকা শায়ান এফ রহমানের ছবি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে তার বাবা সালমান এফ রহমানের ছবি রয়েছে। শায়ান এফ রহমান নিউ ঢাকা ইন্ডাস্ট্রিজের প্রতিনিধি হিসেবে আইএফআইসি ব্যাংকের পর্ষদে ছিলেন।

গত ২৭ জুন ব্যাংকের ৪৭তম বার্ষিক সাধারণ সভায় শায়ানকে আবারও পরিচালক পদে নিয়োগ দিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এজন্য নিয়ম অনুযায়ী অনুমোদন পেতে বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রস্তাব পাঠানো হয়। পরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘ইশেজ ফ্যাশন লিমিটেড’ এর নামে খেলাপি ঋণ থাকায় শায়ান রহমানকে পরিচালক পদে নবায়ন করেনি। এ বিষয়ে আইএফআইসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মানসুর মুস্তফাকে ফোন করা হলে তিনি সাড়া দেননি।

শায়ান ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে আইএফআইসি ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন।

কোম্পানি সচিব মোকাম্মেল বলেন, এজিএম অনুষ্ঠিত হওয়ার কয়েক দিন পরই পরিচালক হিসেবে তার মেয়াদ নবায়নে অনাপত্তির জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পাঠানো হয়।

ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী, বাণিজ্যিক ব্যাংকের পরিচালক নিয়োগ দেয় পরিচালক পর্ষদ। পরে তা এজিএমে অনুমোদনের পর চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের অনাপত্তি নেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

চলতি বছরের ২৭ মে শায়ান ঘোষণা দিয়ে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংকটির তিন কোটি ৮৫ লাখ ৩৫ হাজারটি শেয়ার কিনেছিলেন।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।

top