সকল মেনু

ইসলামী ব্যাংকে এস আলম আলম গ্রুপের লোক ঢুকতে না দেয়া গুজব

বিদায় শেখ হাসিনার সরকার। পট পরিবর্তনের প্রথম দিনেই মঙ্গলবার সারাদেশে খুলে দেওয়া হয়েছে সরকারি ও আধা সরকারি ও রাষ্ট্রায়ত্ব সব প্রতিষ্ঠান। প্রথম দিনে ব্যাংকগুলোতে গ্রাহক কম থাকলেও স্বাভাবিকভাবে লেনদেন শুরু হয়। তবে সকালে মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড উত্তেজনার শুরু হয়।

রাজধানীর দিলকুশায় ব্যাংকেটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সকাল থেকে বিক্ষোভ করেন সুবিধাবঞ্চিত কর্মকর্তারা। তাদের অভিযোগ, এস আলম গ্রুপ তাদের নিয়োগ দিয়েছে বলে তাদের প্রবেশে নিষেধ করা হয়েছে।

তাদের প্রবেশে নিষেধ সম্পর্কে জানতে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড ভাইস চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম বলেন, বলে এটি গুজব। তাদের চাকরি থেকে অব্যহতি দেয়া হয়েছে। যে কারণে তারা মানেত না পেরে সকালে অফিসের সামনে বিক্ষোভ করেন। কিছুক্ষণ পরে তারা চলে গেছেন।

তিনি বলেন, আমি এই মুহূর্তে অফিসে নেই। তবে জেনেছি, তারা কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে চলে গেছেন। তাদের বিরুদ্ধে অনৈতিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। যে কারণে তাদের চাকরি থেকে অব্যহতি দেয়া হয়।

তবে এস আলমের নিয়োগ দেওয়া কর্মকর্তাদের ব্যাংকে ঢুকতে বাধা দেয়ার বিষয়টি গুজব বলেন নজরুল ইলাম। একই বিষয়ে জানতে চাইলে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড অ্যাসিসটেন্ট ভাইস চেয়ারম্যান সুলতান উদ্দীন বলেন, তাদের ঢুকতে দেয়া হয়নি- এমন খবর প্রথম শুনলাম।

তবে আরো তথ্য জানতে ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন তিনি।

নাম প্রকাশ না করা অনুরোধে ব্যাংকটির এক কর্মকর্তা বলেন, তাদের নিয়োগ ছিল অবৈধ। এস আলম গ্রুপ তাদের বসিয়েছিল। তাদের কারণে বৈধ নিয়োগ পাওয়াদের পদোন্নতি দেওয়া হতো না। তারা ভুয়া লোন অনুমোদনসহ লুটপাট করে ব্যাংকটিকে দেউলিয়া করে দিয়েছে। তাদের সেই অনিয়মের প্রতিবাদ করলেই আমাদের চাকরি হারাতে হতো।

এদিকে ইসলামী ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংকের ডিএমডি রেজাউর রহমানকে মারধর করেছে আইবিবিএলের লোকজন। এছাড়া এস আলমের ‘বিশেষ কৃপায়’ প্রমোশন পাওয়া আরও অন্তত চার-পাঁচজনকে মারধর করেছে ব্যাংকটির কর্মকর্তারা।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।

top