সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার পুঁজিবাজরে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে উভয় সূচকের পতন হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ডিএসইএক্স ফের ৫ হাজারের নিচে নেমেছে। তার আগের দিন পতনে প্রতিবাদে বুধবার মতিঝিলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সামনে বিক্ষোভ করেন অনেক বিনিয়োগকারীরা।
বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৪৯ দশমিক ৮৭ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৯৭২ দশমিক ৫৯ পয়েন্টে নেমে এসেছে। অন্যদিকে নির্বাচিত ৩০ কোম্পানির নিয়ে গঠিত মূল্যসূচক ডিএস৩০ কমেছে ২২ দশমিক ৫১ পয়েন্ট এবং শরীয়াহ সূচক ডিএসইএস ১৬ দশমিক ৫০ পয়েন্ট কমেছে। বাজারে ৩৬৭ কোটি ১৪ লাখ টাকা মূল্যের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট কেনাবেচা হয়।

পতনে প্রতিবাদে বুধবার তারা নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের পদত্যাগ দাবি ও তার কুশপুত্তলিকা দাহ করেন। বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট ইনভেস্টর অ্যাসোসিয়েশন বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেয়।
দেড় মাসে তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের ৫০ শতাংশের বেশি কমেছে। ফলে প্রতিদিনই বিনিয়োগকারীদের পুঁজি উধাও হয়ে যাচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পুরো ঘটনার জন্য বিএসইসির দুর্বল নেতৃত্ব দায়ী। ফলে চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবিতে এই বিক্ষোভ। দুপুর আড়াইটার দিকে শাপলা চত্বরের সামনে থেকে বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু হয়। বেলা ৩টার দিকে মিছিল ডিএসইর পুরোনো ভবনের সামনে এসে শেষ হয়।
এ সময় বিনিয়োগকারীর খন্দকার রাশেদ মাকসুদ ও আইসিবির চেয়ারম্যান আবু আহমেদের অপসারণ দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। বিক্ষোভ শেষে বিনিয়োগকারীরা খন্দকার রাশেদ মাকসুদের কুশপুত্তলিকা দাহ করেন।
বিনিয়োগকারী বলেন, বিএসইসির নতুন চেয়ারম্যান একেবারে অযোগ্য। এই বাজার সম্পর্কে তার ধারণা ও জ্ঞান নেই। এমনকি নেতৃত্বের যোগ্যতাও নেই তার। তার প্রতি বিনিয়োগকারীদের কোনো আস্থা নেই। ফলে তাকে দিয়ে এই পুঁজিবাজারে ভালো কিছু আশা করা যায় না।
তারা বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধান উপদেষ্টার ওপর আস্থা আছে। কিন্তু, বর্তমান বিএসইসির কমিশনের প্রতি বিনিয়োগকারীদের কোনো আস্থা নেই।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।