সকল মেনু

সফটওয়্যার বাস্তবায়নের সময়সীমা বাড়াল বিএসইসি

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের শেয়ার সংক্রান্ত তথ্যের গরমিল ও জালিয়াতি রোধে ‘অসংশোধনযোগ্য’ ব্যাক অফিস সফটওয়্যার বাস্তবায়নের সময়সীমা ৩০ জুন, ২০২৫ পর্যন্ত বাড়িয়েছে। সিদ্ধান্তটি বুধবার, ৩০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বিএসইসির ৯৫৪তম কমিশন সভায় গৃহীত হয়।

বিএসইসি জানিয়েছে, বর্তমানে পুঁজিবাজারে বেশ কিছু ট্রেকহোল্ডার একাধিক ব্যাক অফিস সফটওয়্যার ব্যবহার করছেন। এর মাধ্যমে কিছু প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগকারীদের সিকিউরিটিজ বিক্রি করে নগদ অর্থ আত্মসাৎ করে তা গোপন করে রাখছে। এই অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিএসইসি সকল ট্রেকহোল্ডারের জন্য একক, অপরিবর্তনীয় সফটওয়্যার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বিএসইসি বলছে, সফটওয়্যারটি পুরোপুরি বাস্তবায়ন হলে সিডিবিএলে রক্ষিত শেয়ার বা সিকিউরিটিজের তথ্য এবং স্টক ব্রোকারের কাছে রক্ষিত শেয়ার বা সিকিউরিটিজের তথ্যের মধ্যে গরমিল কমে যাবে। এতে বাজারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পাবে এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধার হবে।

বিএসইসি আরও জানিয়েছে, ২৯১টি ডুয়েল ট্রেকহোল্ডারের মধ্যে ১৩টি ইতোমধ্যে ‘অসংশোধনযোগ্য’ ব্যাক অফিস সফটওয়্যার পুরোপুরি বাস্তবায়ন করেছে। অন্যদিকে, ১৭৮টি ট্রেকহোল্ডার সফটওয়্যার বাস্তবায়নের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সিএসইর ৮২টি সিঙ্গেল ট্রেকহোল্ডারের মধ্যে ২৮টি সফটওয়্যারটি পুরোপুরি বাস্তবায়ন করেছে, আর ১৫টি ট্রেকহোল্ডার সফটওয়্যার বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আগামী ৩০ জুন ২০২৫-এর মধ্যে সকল ট্রেকহোল্ডারের জন্য এই সফটওয়্যার বাস্তবায়ন বাধ্যতামূলক হবে।

বিএসইসি আশা প্রকাশ করেছে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা আসবে, শেয়ার সংক্রান্ত তথ্যের গরমিল কমে যাবে এবং বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষিত থাকবে। এটি শুধু বাজারের আইনি কাঠামোই নয়, বরং বিনিয়োগকারীদের বিশ্বাস পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।

top