সকল মেনু

শেয়ার লেনদেন করা যাবে এক পয়সা ব্যবধানেও

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ‘পেনি স্টক’ বা এক টাকারও কম দামের শেয়ারের কেনাবেচায় দর ওঠানামার সুযোগ দিতে ‘টিক সাইজ’ বা সর্বনিম্ন দর ব্যবধান আরও ছোট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী বুধবার, ২৯ অক্টোবর থেকে টিক সাইজ বর্তমানের ১০ পয়সার পরিবর্তে এক পয়সা কার্যকর হবে। রোববার, ২৬ অক্টোবর এমন ঘোষণা দিয়েছে স্টক এক্সচেঞ্জটি।

যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে এক ডলারের কম মূল্যের শেয়ারকে ‘পেনি স্টক’ বলা হয়। বিভিন্ন দেশে তাদের মুদ্রার এককের কম মূল্যের শেয়ারকেও একই নামে অভিহিত করা হয়। ঢাকার শেয়ারবাজারে এমন পেনি স্টক দুটি। এগুলো হলো– আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের পিপলস লিজিং এবং ফারইষ্ট ফাইন্যান্স।

বিদ্যমান নিয়মে ‘টিক সাইজ’ ১০ পয়সা এবং এক দিনে কোনো শেয়ার সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ বৃদ্ধি বা কমে কেনাবেচা হতে পারে। সার্কিট ব্রেকারের নিয়মে প্রিমিয়ার লিজিং এবং ফারইষ্ট ফাইন্যান্সের শেয়ার দর ৯০ পয়সা হওয়ায় এক দিনে সর্বোচ্চ ৯ পয়সা বেড়ে বা কমে কেনাবেচার সুযোগ আছে। তবে ‘টিক সাইজ’ বা সর্বনিম্ন দর ব্যবধান ১০ পয়সা হওয়ায় রেকর্ড ডেট শেষে দরসীমামুক্ত দিন ছাড়া স্বাভাবিক লেনদেন নিয়ে এসব শেয়ারের দর পরিবর্তনের সুযোগ ছিল না। নতুন নিয়মে এক পয়সা বেশি বা কমেও শেয়ার কেনা বা বেচার দর প্রস্তাব করা যাবে।

উল্লেখিত দুই শেয়ার ছাড়াও পেনি স্টকের তালিকায় যুক্ত হওয়ার শঙ্কায় আছে আরও তিন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার। এগুলো হলো– ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, এফএএস ফাইন্যান্স এবং প্রিমিয়ার লিজিং। এর মধ্যে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং কোম্পানির শেয়ার রবিবার কেনাবেচা হয়েছে এক টাকায়। আর এক দিন দর হারালে এ শেয়ারটিও পেনি স্টক তালিকায় নাম লেখাবে। বাকি দুটি ১ টাকা ১০ পয়সা দরে কেনাবেচা হয়েছে।

ঢাকার শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ৩৬০ কোম্পানির মধ্যে এক টাকার কমে কেনাবেচা শেয়ার রবিবার পর্যন্ত ছিল দুটি। এ ছাড়া দুই টাকার কমে সাতটি, তিন টাকার কমে ১৬টি, চার টাকার কমে ১৪টি এবং পাঁচ টাকার কমে ১২টি শেয়ার কেনাবেচা হতে দেখা গেছে।

বাজার সংক্ষেপ: ঊর্ধ্বমুখী ধারায় লেনদেন শুরুর পর ফের দর পতনে দিনের লেনদেন শেষ হয়েছে। ডিএসইতে তালিকাভুক্ত ৩৬০ কোম্পানির মধ্যে ৩৫৬টির কেনাবেচা হয়েছে। এর মধ্যে ১৩৮টির দর বেড়েছে, কমেছে ১৭১টি এবং অপরিবর্তিত ৪৭টির দর।

দিনের লেনদেন পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ার দর বৃদ্ধি দিয়ে লেনদেন শুরু হওয়ায় প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স ২৯ পয়েন্ট বেড়ে ৫১৭৮ পয়েন্ট ছাড়িয়েছিল। এর পর লেনদেন শেষ হওয়ার আগমুহূর্ত পর্যন্ত দর পতন হয়েছে। এতে আগের অবস্থান থেকে প্রায় ৫২ পয়েন্ট হারিয়ে ৫১২৭ পয়েন্টে নিচে নামে সূচকটি। এদিন লেনদেনও আগের দিনের তুলনায় সাত কোটি টাকা কমে ৪৬১ কোটি ৫৬ লাখ টাকায় নেমেছে।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।

top