স্টাফ রিপোর্টার : বিদ্যুৎ খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি সামিট পাওয়ার লিমিটেডের (এসপিএল) তিনটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মেয়াদ পাঁচ বছরের জন্য বেড়েছে। গত ৮ নভেম্বর বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (বিআরইবি) করা বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি (পিপিএ) কার্যকর হয়েছে। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্যানুসারে, কোনো গ্যারান্টি যুক্ত অফটেক ছাড়াই ‘নো ইলেকট্রিসিটি, নো পেমেন্ট’ ভিত্তিতে কেন্দ্রগুলো থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে বিআরইবি।
সামিট পাওয়ারের কেন্দ্র তিনটি হলো মাধবদী পাওয়ার প্লান্ট ইউনিট-২ (২৪ দশমিক ৩ মেগাওয়াট), চান্দিনা পাওয়ার প্লান্ট ইউনিট-২ (১৩ দশমিক ৫ মেগাওয়াট) ও আশুলিয়া পাওয়ার প্লান্ট ইউনিট-২ (৩৩ দশমিক ৭৫ মেগাওয়াট)। এগুলোর মধ্যে মাধবদী ও চান্দিনা প্লান্টের পিপিএ ২ ফেব্রুয়ারি ২০২২ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ এবং আশুলিয়া প্লান্ট ৪ ডিসেম্বর ২০২২ থেকে ৪ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত কার্যকর হয়েছে।
অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময় যা ছিল ২ টাকা ৮৫ পয়সা। আলোচ্য হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৪৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময় যা ছিল ৮৩ পয়সা।
চলতি হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট পরিচালন নগদ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৪ টাকা ৮২ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪ টাকা ৩ পয়সা। গত ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৭ টাকা ৬৮ পয়সায়, ২০২২ সালের ৩০ জুন শেষে যা ছিল ৩৫ টাকা ৭২ পয়সা।
এর আগে ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরের জন্য কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচ্য হিসাব বছরে সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৮৭ পয়সা এবং ৩০ জুন ২০২২ শেষে সমন্বিত এনএভিপিএস ৩৫ টাকা ৭২ পয়সা। সমন্বিত এনওসিএফপিএস হয়েছে ৫ টাকা ৯১ পয়সা।
৩০ জুন সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরের জন্য কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ৩৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচিত সময়ে ইপিএস হয়েছে ৫ টাকা ২৫ পয়সা এবং ৩০ জুন ২০২১ শেষে সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৪ টাকা ৪৫ পয়সা। আর এ হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে ৮ টাকা ৫৩ পয়সা।
২০১৯-২০ হিসাব বছরে কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২০ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। তার আগে ১৫ শতাংশ অন্তর্বর্তীকালীন নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল সামিট পাওয়ার। ফলে ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২০ হিসাব বছরে কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের মোট ৩৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচ্য সময়ে সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৫ টাকা ১৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ৭৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২০ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩১ টাকা ৫০ পয়সায়।
এর আগে ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৩৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে সামিট পাওয়ার। ২০১৮ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয় সামিট পাওয়ার। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত বৃহস্পতিবার সামিট পাওয়ার শেয়ারের সর্বশেষ ও সমাপনী দর ছিল ৩৪ টাকা।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।