সকল মেনু

বিএসইসি নির্দেশনা লঙ্ঘন করেছে শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ

শেয়ারবাজারে টেক্সটাইল খাতে তালিকাভুক্ত শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি তাদের ২০২৪–২৫ অর্থবছরের সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদনে একাধিক অনিয়মের কারণে নিরীক্ষকের আপত্তির মুখে পড়েছে। প্রকাশিত নিরীক্ষা প্রতিবেদনে কোম্পানিটির ডিভিডেন্ড ও শ্রমিক কল্যাণ সংক্রান্ত বিধি লঙ্ঘনের বিষয়টি উঠে এসেছে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই ও সিএসই) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

নিরীক্ষক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্দেশনা অনুযায়ী শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনের পর সর্বোচ্চ ৩০ দিনের মধ্যে ঘোষিত ডিভিডেন্ড বিতরণ করতে হয়।

একই সঙ্গে পর্ষদের ঘোষণার ১০ দিনের মধ্যে সমপরিমাণ ক্যাশ ডিভিডেন্ড একটি পৃথক ব্যাংক হিসাবে জমা রাখার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ ২০২৪–২৫ অর্থবছরের জন্য সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের ঘোষিত ১ শতাংশ নগদ ডিভিডেন্ডের বিপরীতে নির্ধারিত ৭৪ লাখ ৭৪ হাজার টাকা সময়মতো আলাদা ব্যাংক হিসাবে জমা রাখেনি।

এছাড়া অনুমোদনের পর নির্ধারিত ৩০ দিনের মধ্যেও সম্পূর্ণ ডিভিডেন্ড বিতরণ করা হয়নি বলে নিরীক্ষক জানিয়েছেন। নিরীক্ষা চলাকালে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘোষিত ৭৪ লাখ ৭৪ হাজার টাকার মধ্যে ৬১ লাখ ৯৩ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে। ফলে এখনও ১২ লাখ ৮১ হাজার টাকা ডিভিডেন্ড অপরিশোধিত রয়ে গেছে।

নিরীক্ষক আরও উল্লেখ করেছেন, শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ ২০২২–২৩ অর্থবছরের জন্য ৪৬ লাখ ২৩ হাজার টাকার ওয়ার্কার্স প্রফিট পার্টিসিপেশন ফান্ড (ডব্লিউপিপিএফ) গঠন করলেও তা নির্ধারিত সময়ে কর্মীদের মধ্যে বিতরণ করেনি। অথচ শ্রম আইন ২০০৬-এর ২৩২ ধারায় অর্থবছর শেষ হওয়ার সর্বোচ্চ ৯ মাসের মধ্যে এই ফান্ড বিতরণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ায় কর্মীরা তাদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

উল্লেখ্য, শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ ২০১৭ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। বর্তমানে কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন ১৫৪ কোটি ৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালক ব্যতীত সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মালিকানা অংশ ৪৮.৫২ শতাংশ।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।

top